Welcome to olpokotha

বাংলা সাহিত্যের অল্প সংকলন

শুরু হোক পথচলা !

Member Login

Lost your password?

Not a member yet? Sign Up!

কু

সে এসে দাঁড়াল তামসী মেঘের আবডালে, ঐ স্টেশনের থেকে এককুচি আলো কপালে বিঁধল নিষ্ঠুর, আমি বিব্রত কন্ঠে বলেছি, “কে তোকে জড়াবে?” —রক্তের রঙা ব্লাউস হঠাৎ উড়ে গেল আর সে শুধু বলল, “তু…” গঞ্জের নাম দিগন্তহাট, মেয়েটির নাম কু। ফের একবার ট্রেন এল, সেটা বোধহয় পরের বছরই, তখন সন্ধ্যা নিবিয়ে দিচ্ছে পথপ্রান্তর — এমন সময় দাঙ্গাধ্বস্ত […]

বিস্তারিত »

মুক্তচিন্তা ও শুধু ধর্মবিরোধিতা এক জিনিস নয়

ধর্ম সামন্ততন্ত্রের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত থাকায় বুর্জোয়া বিকাশের প্রথম যুগে ধর্মের শৃঙ্খল থেকে বুদ্ধিগত মুক্তি ছিল বুর্জোয়া চিন্তাভাবনা ও দর্শনের অন্যতম লক্ষ্য। ইউরোপীয় দর্শনের আধুনিক যুগের প্রারম্ভে লক, হিউস, দেকার্ত, স্পিলেজা, লাইবনিত্জ প্রভৃতি বিখ্যাত দার্শনিক নিজেদের দর্শনচিন্তা সেভাবেই করেছিলেন। শুধু তাই নয়, পোপের নেতৃত্বে রোমান ক্যাথলিকরা যেভাবে রাষ্ট্রের ওপর প্রাধান্য বিস্তার করে রাখত, তার থেকে […]

বিস্তারিত »

সংক্রান্তি

মেঘ ঝুঁকে আছে বহুতল সেই মানুষের সিঁথির উপরে, যেখানে কখনো সিন্দুর ছোঁয়াবেনা আর, বরং কাটাবে এরপর চেতাবনি দিন, সাঁজোয়াজীবন অম্বার। আমি তাকে বলি (প্রকরণগত কারণে নীরব ভাষায়)—“স্বীকার করাই ভালো, আমারও রক্তে গত কয়েকশো যুগ দূর থেকে আসা অক্ষত আধিপত্য ; তবু কি আমাকে একটুও ভালোবাসবে? যদি কোনদিন নতুন বর্ষপঞ্জি বিধান জানায়—আমি এতদূরই আমি হয়ে উঠেছি […]

বিস্তারিত »

রবীন্দ্রনাথ, মেলে না উত্তর

প্ল্যানচেটে পেয়ে গেছি রবীন্দ্রনাথ। সোনার তরী থেকে রক্তকরবীর গূঢ় ব্যাখ্যা জেনে নেবো, প্রয়োজনে জিগ্যেস করবো কী করে বাঁচবো, বাঁচাবো নিজেকে? চারদিকে হননের গান, অসহিষ্ণুতা। পাড়ায়-অঙ্গনে প্রকাশ্যে মস্তানি, গুপ্তহত্যা, ভয়ের সংস্কৃতি। ক্রমশ এগিয়ে আসছে ধ্বংসের দিন। সমস্ত সরণি- প্রান্তর জল্লাদ আর যমের দখলে। বধ্যভূমির সম্প্রীতি। রেখেছ বাঙালি করে, মানুষ করোনি। নাগিনীরা ফেলিতেছে বিষাক্ত নিশ্বাস। সর্বত্র নেকড়ে-ভালুক-সিংহের […]

বিস্তারিত »

মানুষ বলে গণ্য করি না

রাস্তাঘাটে আজকাল আর কারও সঙ্গে দেখা হয় না। তার প্রধান-প্রধান কারণগুলো এইরকম, সেইসব রাস্তাঘাট আর নেই সেইসব লোকজনও আর নেই। কিন্তু তাই বলে, ‘কারও সঙ্গে দেখা হয় না’, এ-কথার এই মানে নয় যে আজকাল রাস্তাঘাট একদম ফাঁকা, শুনশান। আসল কথাটা খুব খারাপ, তবু বলেই ফেলি, আসল কথাটা হল, আজকাল রাস্তাঘাটে যাদের দেখা যায়, তাদের আমি […]

বিস্তারিত »

চিরমায়া

ঘর দুয়ার বাহিরে দেখি না, শুধু স্থির জানি ভিতরে কোথাও চৌকাঠে পা রেখে তুমি দাঁড়িয়ে রয়েছ, চিরমায়া। দাঁতে-চাপা অধরে কৌতুক স্থির বিদ্যুতের মতো লগ্ন হয়ে আছে, ভুরু বিদ্রুপের ভঙ্গিতে বাঁকানো, জ্বলে কোমল আগুন সিঁথি ও ললাটে। স্থির সরসীর মতো দুই চোখে চক্ষু রেখে জগৎ-সংসার অকস্মাৎ তার কার্যকারণের-সূত্রে গাঁথা মাল্যখানিকে ঘোরাতে ভুলে যায়। বাহিরে দেখি না, […]

বিস্তারিত »

আমরা আবহমান ধ্বংস ও নির্মাণে

আপনার মশায় দিন রাত কি এতো কাজ বলুন তো বাল্মিকী মুনি হয়ে যাচ্ছেন নাকি আধ মিনিটের দেখা দিতে আধ মাস আপনি কি ডানা আঁকছেন শিকড়ের পিঠে নাকি ডানার পিঠেই সেলাই করছেন শিকড় কি জানি বাবা যা কেরামতি আপনাদের, সব ভেলকিই তো হাতের মুঠোয় সব কবিরাই যাদুকর সত্যি কি মিথ্যের লাল নীল রুমাল কিংবা মিথ্যেকে সত্যির […]

বিস্তারিত »

৩০ লাখের আর্তনাদ

রাতের আঁধার ছিন্ন করে ভোরে যখন আলো ফুটতে থাকবে, আকাশ হয়ে উঠবে ধূসর নীলাভ, মাঠের বুকে প্রকাশিত হতে থাকবে সবুজ, তারপর যে লাল সূর্যটি দিগন্ত ঠেলে উঠবে, আজ বিজয় দিবসের ভোরে তার দিকে তাকিয়ে আমাদেরই সব গরিমায় তাকে আমরা বিশেষ করে দেখে উঠব স্বাধীন-সার্বভৌম বাঙালির রাষ্ট্র বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ওই—আমার দেশমায়ের সবুজ আঁচলে টকটকে লাল […]

বিস্তারিত »

রবীন্দ্র-তুরুপ

তোমাকে মাদুলি করে পরেছি গলায়, সকালে গিয়েছি আজ বকুলতলায়; শিথানে গীতবিতানের পাতা খুলে তোমাকে নকল করি চলায় বলায়। তুমিও তো শিষ্য ছিলে পোষ্য ঋষিদের; তারপর নিজেই নিজের তুমি আলখেল্লা-গুরু; লালকেল্লাবাসী তিরিশের তরুণেরা যদিও দেখিয়ে দিলো মেরিলিন উরু; স্বীকারে ও অস্বীকারে তোমাকে করতে চায় সকলেই শুরু। কী তোমার সরলতা কী তোমার দুর্বলতা এই নিয়ে চলছে বাহাস […]

বিস্তারিত »

আমি দশবার আফ্রিকা গেলেও একটা চাঁদের পাহাড় লিখতে পারব না

অরুণাভ রাহারায় : শৈশবের দিনগুলোর কথা কিছু বলুন। বুদ্ধদেব গুহ : ছোটবেলা কেটেছিল দক্ষিণ কলকাতার লেকমার্কেট এলাকায়। রাসবিহারীর কাছে। আমার বড় মামা ছিলেন খুব নামকরা কবি সুনির্মল বসু। মামাবাড়ির সবাই ছিলেন গুণী- কেউ বেহালা বাজাতেন, কেউ গান গাইতেন, আমার মাও খুব ভালো কবিতা লিখতেন। ছোটবেলার দিনগুলো এসবের মধ্যেই কেটেছিল। অরুণাভ রাহারায়: লেখালেখিতে এলেন কীভাবে? বুদ্ধদেব […]

বিস্তারিত »

ভালোবাসা তিনশতাব্দীর

দু’চোখে কলমির ফুল যেন তুমি বৃষ্টির সে বনঘ্রাণ পেয়ে গেছো, সকালে, সুন্দর বহুকাল বাদে যেন মাছস্পর্শ পাও দাঁতের মাড়ির মধ্যে, নেবুগাছ গন্ধের মতন তীব্র ছেলেখেলা আর মিথ্যে মিথ্যে কথা! বয়স হয়েছে, তবু বৃদ্ধ, তুমি নিজেকে হারাও! অদ্ভূত দুঃখের গন্ধ তোমার শরীরে— বৃদ্ধ, মনঃ ছিলো নাকি তোমার শরীরে বড়ো কষ্ট, বৃদ্ধ, আজ তোমার শরীরে অতিস্বাভাবিকতার হাওয়া […]

বিস্তারিত »

যে রোগের নাম আলবদর

বদর বাহিনীর লোকেরা অশিক্ষিত ছিল না। অশিক্ষিত লোক হলে তারা নিরীহ বুদ্ধিজীবীদের ঠান্ডা মাথায় হত্যা করতে পারত না, হয়তো তাদের হাত নড়ে উঠত, বুক কাঁপত, হয়তো বা চোখে আসত পানি। রাজাকারদের মধ্যে অশিক্ষিত সাধারণ মানুষ ছিল। কিন্তু অনেকেই রাজাকার হয়েছে জীবিকার তাড়নায়, কেউ কেউ প্রাণের দায়ে, অনেক ক্ষেত্রে রাজাকাররা অস্ত্রশস্ত্র ফেলে পালিয়েছে, কোথাও-বা যোগ দিয়েছে […]

বিস্তারিত »

আধখানা বেলা

হরতকি – হেমলক , বারুদের পিপাসা কারে তুমি বেছে নিলে হৃদয়ের নিবিড়ে? হে পথিক , কারে তুমি বেছে নিলে পাথেয় , নির্মান , নচিকেতা , বিনাশ , না , স্বাস্থ্য? সারারাত কাঠ কাটে ঘুন পোকা গোপনে , সারারাত ধ’রে তরু বোনে কিছু ফুলকে , বোনে কিছু সকালের কুসুমের তনিমা হে পথিক , কারে তুমি বেছে […]

বিস্তারিত »

আধখানা মুখ

আধখানা মুখ বাইরে রেখো, আধখানা মুখ অন্ধকারে, দূর থেকে যেন সবাই তোমায় দেখতে পারে। ঘুম যদি পায় রাত্রিবেলা, শীতের জটিল অন্ধকারে, জ্বেলে নিয়ো তাপ উড়কি পাতায়, শুকনো খড়ে। দূর থেকে তাপ দেখতে পাব, আগুনের জ্বালা অন্ধকারে, হঠাৎ পথে কী দস্যুতা রে! কেড়ে নিয়ে যায় ঝরনার মতো ছুটে চলে যায় অন্ধকারে নিয়ে যায় সব অস্থি-মজ্জা-মাংস কেড়ে। […]

বিস্তারিত »

আমি সেই কীশোর?

ইচ্ছে হয় আবারও কিশের হয় ফিরে যাই সেই লাল টুক টুক লিচুর তলায়,পুকুর পারে নদীর ধারে | ঘন বন জঙ্গল ঝোপ ঝারের ভিতরে সেই দোয়েল পাখির ডিম ,ইচ্ছে হয় ঘুরে দেখে আসি | সেই টুনটুনির উড়াং ফাড়াং চলন | ইচ্ছে হয় মাঠে বিলে নির্জনে বাজাতে বাশিঁ | মনে হয় আবারও কিশোর হয়ে কানামাছি,গোল্লাছুট,লুকোচুরি ,ডাংগুলি খেলি […]

বিস্তারিত »
,

অক্টোবর ১৯, ২০১৭,বৃহস্পতিবার

সাথে আছেন

মোট ১১৯ জন ,যার মধ্যে জন নিবন্ধিত , ১১৯ জন অতিথি অনলাইন।

সর্বাধিক মন্তব্য করেছেন

  • Be the first to comment.

সর্বশেষ মন্তব্য