Welcome to olpokotha

বাংলা সাহিত্যের অল্প সংকলন

শুরু হোক পথচলা !

Member Login

Lost your password?

Not a member yet? Sign Up!

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৫

দূরত্বটা অনেকখানি ঢালু মাঠ যেখানে শেষ হচ্ছে সেখানেই ঝোপের শুরু। জানলায় দাঁড়িয়ে জোৎস্নায় ভেসে যাওয়া আকাশের নীচেটা শান্ত, স্বাভাবিক। স্বজন গম্ভীর গলায় বলল, তুমি বোধ হয় ভুল দেখেছ। অসম্ভব। আমি স্পষ্ট দেখেছি। পৃথার গলায় এখন স্বাভাবিকতা এসেছে। ঠিক কোন জায়গাটায়? পৃথা আঙুল তুলে জায়গাটা দেখাল। এখন সেখানে কিছু নেই। পৃথিবীটা এখন নিরীহ এবং সুন্দর। স্বজন […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা–০৬

কোথাও কোনও শব্দ নেই এমন নির্জন রাত্রে জ্যোৎস্নার দিকে তাকালেও ভয় ঢোকে মনে। জ্যোৎস্না বলেই গাছেরা ছায়া ফেলে। আর সেই ছায়ায় ওত পেতে থাকতে পারে মৃত্যু। কিন্তু সোম তো এখানে এসেছে প্ৰাণের ভয়েই। সি-পিকে সে আজ প্ৰথম দেখছে না। কাউকে বাগে পেলে শেষ করে না। দেওয়া পর্যন্ত লোকটা সুখ পায় না। টাকার লোভে সে যখন […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৭

লোকটা মূর্খ। এবং অতিবড় মুখ না হলে কেউ ওই বাংলোয় যায় না, গিয়ে টেলিফোন ধরে না। ভার্গিস বিড়বিড় করলেন। এখন মধ্যরাত। বিছানায় শুয়ে খবরটা পাওয়ামাত্র সোমের মুখটাকে মনে করলেন তিনি। লোকটার আর বাঁচার পথ খোলা রইল না। কিন্তু তিনি চাননি ও এত চটজলদি ধরা পড়ুক। অনেক সময় বোকারাও ফস করে ঠিকঠাক কাজ করে ফেলে। চিতাটাকে […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৮

সেপাইরা গাড়িটাকে ঘিরে ফেলল। প্রত্যেকেই অস্ত্ৰ উঁচিয়ে রেখেছে। নির্দেশ পাওয়ামাত্র গুলি ছুটবে। ভার্গিস চুরুট চিবোতে চিবোতে গাড়িটার পাশে ঘিরে দাঁড়ালেন, রাস্তায় নেমে আসতে হবে। স্বজন পৃথার দিকে তাকাল। এত ক্যান্ডের পরে শহরে ঢুকে এ রকম অভ্যর্থনা কপালে জুটবে তা ওরা ভাবতে পারেনি। পৃথার মুখ শুকিয়ে গিয়েছিল। কোনও রকমে দরজা খুলে স্বজন আগে নামল, পৃথকে নামতে […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৯

বাবু বসন্তলালের শরীর তারই বাংলোর কফিনে পচছিল। খবরটা পেয়ে ভার্গিসের ভেতরটা নড়ে উঠল। হয়ে গেল, তার সর্বনাশ হয়ে গেল। খবরটা এখনই মিনিস্টারকে দিতে হবে এবং তারপরই শুরু হয়ে যাবে যা হবার। ম্যাডামের কানে খবরটা পৌঁছানোমাত্র, চোখ বন্ধ করলেন ভার্গিস। বাবু বসন্তলাল বিরাট ব্যবসায়ী, প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসনে এ দেশের জন্যে। রাজনীতিতে তিনি নেই। কিন্তু […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১০

বেলা যত বাড়তে লাগল তত শহরের পথে মানুষের সংখ্যা বাড়ছিল। এরা সবাই দেহাতি। পিতামহ পিতাদের অনুসরণ করে প্রতি বছর উৎসবের সময় দুরাতের জন্যে শহরে আসে। এবার শহরে ঢোকার রক্ষীরা। উৎসবের সঙ্গে ধর্ম না জড়ানো থাকলে এই অবস্থায় কেউ শহরে ঢুকত না। ঢুকে তটস্থ হয়ে আছে। সরকারী টিভিতে এইসব মানুষদের দেখানো হচ্ছিল। ভাষ্যকার বলছিলেন, যুগ যুগ […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১১

ক্রমশ ওরা শহরের একেবারে পশ্চিমপ্রান্তে চলে এল। এদিকটায় জনবসতি কম। মোটামুটি বধিষ্ণু মানুষেরা অনেকটা জায়গা জুড়ে বাগানঘেরা বাড়িতে থাকেন। হায়দার ইশারা করতেই ট্যাক্সি থামল। ড্রাইভার নিজে দরজা খুলে সুটকেশ দুটো নীচে নামিয়ে ইঙ্গিত করল নেমে আসতে। স্বজন এবং পৃথা একটা কথাও বলেনি টুরিস্ট লজ থেকে চলে আসার পথটুকুতে স্বজন এখন জিজ্ঞাসা করল, এখানে কেন? সামনে […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১২

চেকপোস্টের আগে নেমে পড়ে নিজেকে বুদ্ধিমান বলে ভেবে খুশি হয়েছিল সোম। যেভাবে শহরের বাইরেও পুলিশভ্যান টহল দিচ্ছে তাতে ওই মারুতি গাড়িতে থাকলে এতক্ষণে মাটির তলার ঘরে চালান হয়ে যেত সে। চেকপোস্টে নিশ্চয়ই ভাল করে গাড়ির আরোহীদের জেরা করা হচ্ছে। সোম নেমে পড়েছিল খানিকটা আগে এবং রাস্তা উঠে এসেছিল পাহাড়ে। সেখান থেকে রাস্তাটা পরিষ্কার দেখা যায়। […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৩

দুপুরেই শহরটার অনেকখানি উৎসবে যোগ দিতে আসা মানুষে ভরে গেল। এবার শহরের সব রাস্তায় যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের। বিগ্ৰহ থাকবে যে মাঠে সেখানেই ভিড়টা বেশি। উৎসব শুরু হতে এখনও চব্বিশ ঘন্টা বাকি। যতই চিতার পোস্টার পুলিশ ছড়িয়ে দিক, রাজনৈতিক উত্তেজনার চেয়ে ধমীয় আচারঅনুষ্ঠানের প্রতি আগ্রহগ্রামের মানুষের মনে প্রবল। কৌতূহলের ব্যাপার হল শুধু বিশেষ এক […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৪

দুপুরের খাবার খারাপ ছিল না। স্বজন প্রথমে আপত্তি করছিল, কিন্তু তাকে বুঝিয়েছিল না খেলে তাঁর শরীরই কষ্ট পাবে, কাজের কাজ কিছু হবে না। স্ত্রী অথবা নিকটতম বান্ধবীকে পুরুষমানুষ সহজে নিজের কাজের কথা বলতে চায় না। খামেকা বিব্রত না করার ইচ্ছেই হয়তো তার কারণ। কিন্তু সমস্যা যখন প্রবল হয়ে ওঠে, যখন পিঠের পেছনে দেওয়াল নেই, তখন […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৫

আকাশলাল হাসিমুখে মাথা নাড়ল। আপনার নাক, চোখের ওপরের সামান্য পরিবর্তনেই সেটা সম্ভব। আর তার জন্যে মুখে কোনও দাগ হবে না। ব্যাপারটা কখন করতে হবে?-স্বজন জিজ্ঞাসা করল। আরও দুটো দিন আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে ডাক্তার। তার মানে আরও দুটো দিন আমাদের ওই ভাবে বন্দি হয়ে থাকতে হবে? স্বজনের গলায় আগের অসন্তোষ ফিরে এল। হায়দার বলল, আপনার […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৬

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৬

এই এতটা পথ আসর সময়ে তার মনে অনেকবার সন্দেহ এসেছে সোম দেখছিল মেয়েটাকে। কিন্তু ওদের সাহায্য ছাড়া তার পক্ষে শহরে ঢোকা সম্ভব হত না। প্ৰায় বাধ্য হয়েই সে এদের কথা মেনে চলেছে। কিন্তু শহরে ঢোকার পর তার মাথায় দ্বিতীয় চিন্তা এসেছিল। এদের সঙ্গে যদি আকাশলালদের সরাসরি যোগাযোগ থাকে, তাহলে এদের সূত্র ধরেই সে লোকটার কাছে […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৭

গতরাত্রে বিছানায় শুয়ে থাকতে পারেনি ভার্গিস। অন্ধকার থাকতেই উঠে এসে বসেছিল নিজের চেয়ারে। এখন ভোর। এখন এই বিশাল পুলিশ-হেডকোয়ার্টার্স শব্দহীন। এত বড় অফিস-ঘরে তিনি একা। জানলার বাইরে পৃথিবীটা ধীরে ধীরে রং পাল্টাল। একটা দিন আসছে। হয়তো শেষ দিন তাঁর ক্ষেত্রে। এই দিনটার মোকাবেলা তিনি কিভাবে করবেন। সেটাই স্থির করতে হবে। আজ যদি আকাশলালকে ধরা সম্ভব […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৮

সকাল আটটায় বৃদ্ধ ডাক্তারকে এই ঘরে নিয়ে আসা হল। ভদ্রলোককে দেখেই মনে হল তিনি গত রাত্রে এক ফোটা ঘুমোতে পারেননি। আকাশলাল বলল, সুপ্ৰভাত ডাক্তার। সুপ্ৰভাত। ভদ্রলোক এক দৃষ্টিতে আকাশলালকে দেখছিলেন। আপনি কি সুস্থ নন ডাক্তার? অসুস্থ? আমি? হা ভগবান। কে কাকে বলছে। আপনি কেমন আছেন? আজ আমি খুব ভাল আছি। একদম তাজা। শুয়ে পড়ুন। অতএব […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৯

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৯

রিসিভারটা যেন কানের ওপর সেটে ছিল। সম্বিত ফিরতেই সেটাকে সরিয়ে নিয়ে কিছুটা নরম গলায় ভার্গিস বললেন, হ্যালো! এক দুই তিন সেকেন্ড যেতে না যেতে ভার্গিস বুঝতে পারলেন লাইনটটা ডেড হয়ে গেছে। আমি আত্মসমর্পণ করছি এবং সেটা বন্ধুভাবেই হোক। ধীরে ধীরে রিসিভারটা নামিয়ে রেখে দুহাতে মুখ ঢাকলেন ভার্গিস। গলাটা সত্যি আকাশলালের তো। কোনও রকম কথা বলার […]

বিস্তারিত »
,

ডিসেম্বর ১৪, ২০১৭,বৃহস্পতিবার


সাথে আছেন

মোট ৬১ জন ,যার মধ্যে জন নিবন্ধিত , ৬১ জন অতিথি অনলাইন।

সর্বাধিক মন্তব্য করেছেন

  • Be the first to comment.

সর্বশেষ মন্তব্য