Welcome to olpokotha

বাংলা সাহিত্যের অল্প সংকলন

শুরু হোক পথচলা !

Member Login

Lost your password?

Not a member yet? Sign Up!

লাল কাঁকড়া ও বুনোফুল

লাল কাঁকড়া ও বুনোফুল

অফিসে আজ অলস সময় কাটছে মাহবুবের। দু-একবার বারান্দায় গিয়ে পায়চারি করে আসছে। টেবিলে বসে স্থির থাকতে পারে না। পেপার ওয়েট দিয়ে কাঠের টেবিলের ওপর শব্দ করে। পাশের টেবিলের মুস্তাফিজ আজ অফিসে আসেনি। ও মনে মনে ঠিক করে, বেরিয়ে যাবে। ঢাকা শহর থেকে দেশের শেষ সীমানার এই অফিসে কাজের পরিমাণ আর কতই বা থাকতে পারে। আধা-ঢিলেমির […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা-০১

আট কুঠুরি নয় দরজা-০১

দুরন্ত গতিতে লাল মারুতিটা ছুটে যাচ্ছিল। তখন আকাশে শেষ বিকেলের চোরা আলো পঞ্চাশের রূপসীর হাসির মত অপূর্ব মায়াময়। পাহাড়ি রাস্তায় একদিকে পাথরের আড়াল অন্যদিকে আদিগন্ত সেই আকাশ আর আকাশ। রাস্তাটায় আপাতত কোনও বাক নেই বলে গতি বাড়ছিল গাড়ির। হাওয়ারা পৃথার শ্যাম্পূ ধোওয়া চুল ঢেউ তুলছিল। ইচ্ছে মতন। স্টিয়ারিং-এ বসে স্বজনের মনে হচ্ছিল সে বিজ্ঞাপনের ছবি […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০২

শহরের একপ্রান্তে বিশাল প্ৰাসাদ শহরের একপ্রান্তে এই বিশাল প্ৰাসাদটিকে লোক এড়িয়ে যায়। ওই বাড়ির ভেতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে যাকে নিয়ে যাওয়ার হয়। ভার অস্থি নিতে আত্মীয়দের যেতে হয়। শ্মশানে। সেই দাহ দেখতেও দেওয়া হয় না, কারণ ইলেকট্রিক চুল্লিতে ঢোকানোর পরই আত্মীয়দের কাছে যেতে দেওয়া হয়। বাড়িটার বয়স একুশ বছর। ব্রিটিশরা কেন বানিয়েছিল তা নিয়ে অনেক গল্প […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৩

এই পরিকল্পনায় ঝুঁকি আছে হ্যাঁ এই পরিকল্পনায় ঝুঁকি আছে। কিন্তু বন্ধুগণ, ইঁদুরের মত বেঁচে থাকা আর আমার পক্ষে সম্ভব নয়। হয় এখনই নয়। আর কখনও নয়। বালিশে হেলান দিয়ে আধশোয়া অবস্থায় আকাশলাল কথাগুলো বলল। তার মুখের চেহারা ফ্যাকাশে, দেখলেই অসুস্থ বলে মনে হয়। বয়স পঞ্চাশের গায়ে, শরীর মেদহীন। ঘরের ভেতর শ্রোতা হিসেবে যে তিনজন মানুষ […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৪

উপোসি চাঁদের আলো উপোসি চাঁদের আলো তখন বাংলোটাকে ঘিরে তিরতিরিয়ে কাঁপছে। মাঝে মাঝে নির্জলা মেঘকে এড়িয়ে যাওয়ার জণ্যে বাচ্চা মেয়ের মত স্কিপিং করে যেতে হচ্ছে তাকে। ছায়া নামছে সামনের লনে, নেমেই সরে যাচ্ছে। বাঘাটা বসে। আছে গাড়ির ছাদে, যেভাবে সেবক ব্রিজের মুখে পাথরের সিংহ বসে থাকে। এ ঘরের দেওয়ালে সুইচ আছে, স্বজন টিপেছিল। কিন্তু আলো […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৫

দূরত্বটা অনেকখানি ঢালু মাঠ যেখানে শেষ হচ্ছে সেখানেই ঝোপের শুরু। জানলায় দাঁড়িয়ে জোৎস্নায় ভেসে যাওয়া আকাশের নীচেটা শান্ত, স্বাভাবিক। স্বজন গম্ভীর গলায় বলল, তুমি বোধ হয় ভুল দেখেছ। অসম্ভব। আমি স্পষ্ট দেখেছি। পৃথার গলায় এখন স্বাভাবিকতা এসেছে। ঠিক কোন জায়গাটায়? পৃথা আঙুল তুলে জায়গাটা দেখাল। এখন সেখানে কিছু নেই। পৃথিবীটা এখন নিরীহ এবং সুন্দর। স্বজন […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা–০৬

কোথাও কোনও শব্দ নেই এমন নির্জন রাত্রে জ্যোৎস্নার দিকে তাকালেও ভয় ঢোকে মনে। জ্যোৎস্না বলেই গাছেরা ছায়া ফেলে। আর সেই ছায়ায় ওত পেতে থাকতে পারে মৃত্যু। কিন্তু সোম তো এখানে এসেছে প্ৰাণের ভয়েই। সি-পিকে সে আজ প্ৰথম দেখছে না। কাউকে বাগে পেলে শেষ করে না। দেওয়া পর্যন্ত লোকটা সুখ পায় না। টাকার লোভে সে যখন […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৭

লোকটা মূর্খ। এবং অতিবড় মুখ না হলে কেউ ওই বাংলোয় যায় না, গিয়ে টেলিফোন ধরে না। ভার্গিস বিড়বিড় করলেন। এখন মধ্যরাত। বিছানায় শুয়ে খবরটা পাওয়ামাত্র সোমের মুখটাকে মনে করলেন তিনি। লোকটার আর বাঁচার পথ খোলা রইল না। কিন্তু তিনি চাননি ও এত চটজলদি ধরা পড়ুক। অনেক সময় বোকারাও ফস করে ঠিকঠাক কাজ করে ফেলে। চিতাটাকে […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৮

সেপাইরা গাড়িটাকে ঘিরে ফেলল। প্রত্যেকেই অস্ত্ৰ উঁচিয়ে রেখেছে। নির্দেশ পাওয়ামাত্র গুলি ছুটবে। ভার্গিস চুরুট চিবোতে চিবোতে গাড়িটার পাশে ঘিরে দাঁড়ালেন, রাস্তায় নেমে আসতে হবে। স্বজন পৃথার দিকে তাকাল। এত ক্যান্ডের পরে শহরে ঢুকে এ রকম অভ্যর্থনা কপালে জুটবে তা ওরা ভাবতে পারেনি। পৃথার মুখ শুকিয়ে গিয়েছিল। কোনও রকমে দরজা খুলে স্বজন আগে নামল, পৃথকে নামতে […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –০৯

বাবু বসন্তলালের শরীর তারই বাংলোর কফিনে পচছিল। খবরটা পেয়ে ভার্গিসের ভেতরটা নড়ে উঠল। হয়ে গেল, তার সর্বনাশ হয়ে গেল। খবরটা এখনই মিনিস্টারকে দিতে হবে এবং তারপরই শুরু হয়ে যাবে যা হবার। ম্যাডামের কানে খবরটা পৌঁছানোমাত্র, চোখ বন্ধ করলেন ভার্গিস। বাবু বসন্তলাল বিরাট ব্যবসায়ী, প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসনে এ দেশের জন্যে। রাজনীতিতে তিনি নেই। কিন্তু […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১০

বেলা যত বাড়তে লাগল তত শহরের পথে মানুষের সংখ্যা বাড়ছিল। এরা সবাই দেহাতি। পিতামহ পিতাদের অনুসরণ করে প্রতি বছর উৎসবের সময় দুরাতের জন্যে শহরে আসে। এবার শহরে ঢোকার রক্ষীরা। উৎসবের সঙ্গে ধর্ম না জড়ানো থাকলে এই অবস্থায় কেউ শহরে ঢুকত না। ঢুকে তটস্থ হয়ে আছে। সরকারী টিভিতে এইসব মানুষদের দেখানো হচ্ছিল। ভাষ্যকার বলছিলেন, যুগ যুগ […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১১

ক্রমশ ওরা শহরের একেবারে পশ্চিমপ্রান্তে চলে এল। এদিকটায় জনবসতি কম। মোটামুটি বধিষ্ণু মানুষেরা অনেকটা জায়গা জুড়ে বাগানঘেরা বাড়িতে থাকেন। হায়দার ইশারা করতেই ট্যাক্সি থামল। ড্রাইভার নিজে দরজা খুলে সুটকেশ দুটো নীচে নামিয়ে ইঙ্গিত করল নেমে আসতে। স্বজন এবং পৃথা একটা কথাও বলেনি টুরিস্ট লজ থেকে চলে আসার পথটুকুতে স্বজন এখন জিজ্ঞাসা করল, এখানে কেন? সামনে […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১২

চেকপোস্টের আগে নেমে পড়ে নিজেকে বুদ্ধিমান বলে ভেবে খুশি হয়েছিল সোম। যেভাবে শহরের বাইরেও পুলিশভ্যান টহল দিচ্ছে তাতে ওই মারুতি গাড়িতে থাকলে এতক্ষণে মাটির তলার ঘরে চালান হয়ে যেত সে। চেকপোস্টে নিশ্চয়ই ভাল করে গাড়ির আরোহীদের জেরা করা হচ্ছে। সোম নেমে পড়েছিল খানিকটা আগে এবং রাস্তা উঠে এসেছিল পাহাড়ে। সেখান থেকে রাস্তাটা পরিষ্কার দেখা যায়। […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৩

দুপুরেই শহরটার অনেকখানি উৎসবে যোগ দিতে আসা মানুষে ভরে গেল। এবার শহরের সব রাস্তায় যেতে দেওয়া হচ্ছে না। তাদের। বিগ্ৰহ থাকবে যে মাঠে সেখানেই ভিড়টা বেশি। উৎসব শুরু হতে এখনও চব্বিশ ঘন্টা বাকি। যতই চিতার পোস্টার পুলিশ ছড়িয়ে দিক, রাজনৈতিক উত্তেজনার চেয়ে ধমীয় আচারঅনুষ্ঠানের প্রতি আগ্রহগ্রামের মানুষের মনে প্রবল। কৌতূহলের ব্যাপার হল শুধু বিশেষ এক […]

বিস্তারিত »

আট কুঠুরি নয় দরজা –১৪

দুপুরের খাবার খারাপ ছিল না। স্বজন প্রথমে আপত্তি করছিল, কিন্তু তাকে বুঝিয়েছিল না খেলে তাঁর শরীরই কষ্ট পাবে, কাজের কাজ কিছু হবে না। স্ত্রী অথবা নিকটতম বান্ধবীকে পুরুষমানুষ সহজে নিজের কাজের কথা বলতে চায় না। খামেকা বিব্রত না করার ইচ্ছেই হয়তো তার কারণ। কিন্তু সমস্যা যখন প্রবল হয়ে ওঠে, যখন পিঠের পেছনে দেওয়াল নেই, তখন […]

বিস্তারিত »
Page ১ of ৯»...Last »
,

অক্টোবর ১৯, ২০১৭,বৃহস্পতিবার

সাথে আছেন

মোট ৮০ জন ,যার মধ্যে জন নিবন্ধিত , ৮০ জন অতিথি অনলাইন।

সর্বশেষ মন্তব্য